Media Gallery
Sorry !! There's no media found for the request !!
f201968
১৯৯৯
আলহামদুলিল্লাহ নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হয়।
না। আমি তাজবিদ অনুযায়ী শুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত করার জন্য চেষ্টা করতেছি।
হ্যা, আলহামদুলিল্লাহ মেনে চলা হয়।
জ্বি আলহামদুলিল্লাহ
না। এসব দেখা হয় না। আলহামদুলিল্লাহ।
জি। আলহামদুলিল্লাহ আছে।
পছন্দের বইঃ আর-রাহিকুল মাখতুম,The Productive Muslim, Enjoy your life, বেলা ফুরাবার আগে ইত্যাদি আরো অনেক বই পড়া হয়েছে । লেখকঃ আরিফ আজাদ
শায়েখ আহমাদুল্লাহ,ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ,মাওলানা তারিক জামিল,
হানাফি তবে সকল আক্বিদা এবং মাজহাবকে সম্মান করি
আমি বোরকার সাথে হিযাব নিকাব ও হাত-পা মোজা পরিধান করি।
জি। আলহামদুলিল্লাহ
জ্বি আলহামদুলিল্লাহ সর্বোচ্চ মেইনটেইন করা হয়।
সাধারণ শিক্ষা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মাস্টার্স, বিভাগঃ সমাজকর্ম, সেশনঃ ২০২২-২০২৩
প্রযোজ্য নয়
না
শিক্ষার্থী
প্রযোজ্য নয়
চাকুরীজীবি
গৃহিণী (মৃত)
৫ জন
২ জন
মধ্যবিত্ত
বাংলাদেশ
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার একজন অনুগত ও প্রিয় বান্দা হতে চাই। চেষ্টা করি জীবনের সকল ক্ষেত্রে যতটুকু সম্ভব ইসলামি আইন মেনে চলতে ও সুন্নাহ অনুসরণ করতে। সৎ ভাবে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করি। এখনো অনেক ঘাটতি আছে উপলব্ধি করতে পারি, প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি নিজেকে শুধরে নেয়ার। কাছের মানুষদের উৎসাহ দেই আল্লাহর পথে চলতে। দুনিয়াবি কাজের মধ্যে পরিবার নিয়ে সুন্দর সময় কাটাতে পছন্দ করি, ঘর গোছানো পছন্দ করি এবং নতুন নতুন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করি । শরিয়ত সম্মত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে চাকরি করার ইচ্ছা নেই, যেহেতু ছোটবেলায় ইচ্ছে ছিলো মাদ্রাসা পড়ার কিন্তু সেই ইচ্ছে আর পূরন হইনি।তাই এখন আমি ইসলামিক বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে চাই ইন শা আল্লাহ। আমি মিথ্যা বলা আর বিশ্বাসঘাতকতা করা খুবই অপছন্দ করি। নিজেকে এধরণের কাজ থেকে বিরত রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করি।আমি নিতান্তই মিশুক এবং সহজ সরল প্রকৃতির,আমার কনজার্ভেটিভ ফ্যামিলি। আমার বিশ্বাস তিনি একটা ভালো পরিবার পাবেন এবং আমিও স্বামী ভক্ত স্ত্রী হবো ইনশাআল্লাহ। দ্বীন- দুনিয়াবী বলতে- আমি রাসূলের সুন্নত জীবনের সর্বক্ষেত্রে মানার চেষ্টা করি।ছোটবেলা থেকেই আমি চঞ্চল,অন্য কে হাসি- খুশি রাখতে পছন্দ করি তবে এমনও চঞ্চল নই যাতে আমার অভদ্রতা বা জ্ঞানহীনতা প্রকাশ পায়। সোস্যাল মিডিয়া বা এর বাইরে আমার কোন ননমাহরাম বন্ধু নেই। আমি সর্বাবস্থায় আল্লাহর উপর তাওয়াককুল করার চেষ্টা করি । পরিবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছে, এমন পরিবার খুঁজচ্ছি যারা আমাকে বউ নয় মেয়ের মতো ভালোবাসবেন।ব্যাক্তিগতভাবে আমি খুব সাধারনভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, পরিপাটি ও গুছিয়ে থাকতে পছন্দ করি। অযৌক্তিক, অহেতুক আলোচনা, সমালোচনা থেকে দূরে থাকি।পরিবারে সবার সাথে মিলেমিশে, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাঝে বড় হয়েছি। তবে এখন অনেকের কোলাহলে আলোচনা, সমালোচনা, গীবত ও ফিতনার আশংকায় একাকিত্ব ও নিরিবিলি ভালো লাগে। ভালোকিছু খুব সহজে গ্রহন করতে পারি। তেমনি খারাপ সব এড়িয়েও যেতে পারি। আমি স্পষ্টতা পছন্দ করি। আগে নিজের কাছে নিজের নৈতিকতা সততা ও চরিত্র সবসময় পরিষ্কার রেখেছি। যাতে আমার ব্যাক্তিত্ববোধ ও আমি প্রশ্নবিদ্ধ না হই। আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত হয়তো একারণেই সহশিক্ষার মাধ্যমে বড় হয়েও হারাম সবকিছু থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পেরেছি। বুঝ হওয়ার পর থেকে এক অজানা জরতা, লজ্জাবোধ থেকে অজান্তেই চারপাশে এক সীমাবদ্ধতার বেড়া তৈরি হয়ে গিয়েছিল। এই বেড়া টপকিয়ে কাজিন, সহপাঠী কিংবা অন্যান্য কোন ছেলের সাথে কখনো সখ্যতা, বন্ধুত্ব, বা পরিচিতি কোনটাই হয়ে ওঠেনি। সপ্তম শ্রেণী থেকে নেকাবসহ বোরখা পড়া শুরু করেছিলাম। বাড়িতে, কিংবা আত্মীয়-স্বজনের সামনে তখন পরিপূর্ণ পর্দা করিনি ঠিকই, তবে বোরখা পড়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনোদিন বোরখা নেকাব ছাড়া বাইরে যায়নি। আলহামদুলিল্লাহ! যার কারনে সমস্ত কুদৃষ্টি থেকে আল্লাহপাক হেফাজত করেছেন।আমি ভীষণ সাধারন শুধু একজন দ্বীনদার জীবনসঙ্গী ও একটি দ্বীনি পরিবারের ক্ষেত্রে উচ্চাকাঙ্খী। ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ যদি চান ভবিষ্যতে নিজেকে আরো ভালোভাবে পরিপূর্ণ দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত করতে চাই। এক্ষেত্রে দ্বীনদার জীবনসঙ্গীর চাইতে আর উত্তম কি হতে পারে। একজন দ্বীনদার জীবনসঙ্গীর সাহায্যে আর নিজেও দ্বীন পালনের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টির মধ্যে দিয়ে দ্বীন ও দুনিয়া উভয় ক্ষেত্রে কল্যাণকর, বরকতময় একটি জীবন চাই। একটি সাধারণ পরিবার থেকে জেনারেল পড়াশোনা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে দ্বীনের পথে আসা যে কতটা চ্যালেঞ্জিং তা অনেকেই জানেন। তাই দ্বীনের পথে আসার পর আমার মত অনেক মেয়ের কাছে সবচেয়ে বড় পরিক্ষা হচ্ছে বিয়ে। বিয়ের সাথে প্রচলিত সমস্ত কু-প্রথা থেকে বেরিয়ে আসা, বিয়ের পর দ্বীনকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে জীবনসঙ্গীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিয়ের পর পর্দা দ্বীনের মৌলিক ফরজ বিষয়গুলো পালনে যদি অসহযোগিতা বা বাধার সম্মুখীন হই তা হলে তা আমার কাছে মৃত্যুর সমতুল্য হবে। তাই আমি এমন একজনকে চাই যিনি যথাযথভাবে জীবনসঙ্গীর মর্যাদা রাখতে পারবেন, দ্বীনের সাথে কম্প্রোমাইজ করবেন না।আমি প্রত্যেকের পছন্দ, অপছন্দকে সম্মান করি। নিজের পছন্দনীয় যোগ্য কাউকে খুঁজে নেয়া অনুচিত কিছু নয়। বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের বংশ পরিচয়, সম্পদ, সৌন্দর্য, ও দ্বীনদারিত্ব দেখতে বলা হয়েছে এবং দ্বীনদারিত্ব প্রধান্য দিতে বলেছে। এছাড়া কুফু মিলিয়ে বিয়ে করা উত্তম। কেউ সব দিক দিয়ে পার্ফেক্ট হয়না।উভয় পক্ষের ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। প্রত্যেকে তার নিজ মানসিকতার আলোকে নিজ পছন্দকে প্রায়োরিটি দিবে এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে আমি বলে রাখতে চাই যিনি সৌন্দর্য প্রায়োরিটি দিবেন উনার না এগোনোই উত্তম। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে যেমন বানিয়েছেন, যতটুকু সৌন্দর্য দিয়েছেন তাই আমার জন্য কল্যাণকর এবং তাতেই আমি সন্তুষ্ট। তাকদীর, ভালো, মন্দের ফয়সালাকারী আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা । যেহেতু তাকদ্বীর ঈমানের অংশ আর আল্লাহ ভালোবেসে, পছন্দ করে সৃষ্টি করেছেন তাই কোনো সৃষ্টিকে অপছন্দ করার সাহস আমার নেই। মানুষের অর্ধেক সৌন্দর্য থাকে তার চেহেরায়, আর বাকি অর্ধেক কথা আচরণ ও ব্যাক্তিত্বে। সৌন্দর্য বিষয়টা একেক জনের কাছে একেক রকম। আমার কাছে দ্বীনদারিত্ব, উত্তম চরিত্র, উত্তম আখলাক আর ব্যাক্তিত্বই সৌন্দর্য। আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তাকে হিদায়াত দেয়। আর যে হিদায়াত পায় সে সম্মানিত। দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে একটা মেয়ে মাহরাম, নন-মাহরাম মেইন্টেইন করতে গিয়ে ছেলেদের সাথে অদৃশ্য দূরত্ব তৈরি করে নেয়। জায়েয উপায়ে পাত্রী হিসেবে একজন ছেলের সাথে কয়েক মিনিটের সাক্ষাতের জন্য হলেও কি অস্বস্তি, জরতা কাটিয়ে উঠা যায়? এক্ষেত্রে আপনি চাইলেই আপনার মা বোনদের নিয়ে যাচাই করে নিতে পারেন। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলো খুব সেন্সিটিভ। আর বিয়ের আগে বিয়ে সম্পর্কিত মাসায়েল, করনীয় ও বর্জনীয় জেনে নিয়ে ইস্তেখারা করে অগ্রসর হওয়া উচিত। আল্লাহ সকলের জন্য সহজ করুক। (আমিন)
পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করি , ভ্রমণ করতে পছন্দ করি।
অবশ্যই দ্বীন পালনে সচেষ্ট হতে হবে।
২৬-৩৯
৫''৫"-৫'১১"
যেকোন
অবিবাহিত
জেনারেল শিক্ষিত।
হালাল পেশা।
স্বচ্ছল
মধ্যবিত্ত
হানাফি
আমি এমন জীবনসঙ্গী চাই যিনি মসজিদে জামায়াতে নিয়মিত সালাত আদায় করবে, সুন্নতি দাঁড়ি থাকতেই হবে, যাতে মুমিন মুসলিম হওয়ার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। সুদ, ঘুষের মতো হারাম থেকে নিজেকে হেফাজতে রাখেন,অন্যের হক সম্পর্কে সচেতন হতে হবে, নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে যাকাত আদায়ে সচেতন হবেন, সুন্নাহর প্রতি মহব্বত আছে এমন। সবার সাথে ভাল ব্যবহার করতে হবে। নিজের নজরকে হেফাজত রাখতে হবে। নন মাহারম মানতে হবে। শান্ত স্বভাবের হতে হবে। সত্যিকার দ্বীনদার। যার কাছ থেকে আমিও দ্বীনি ইলম অর্জন করতে পারবো। ধৈর্যশীল হতে হবে। নবীজী (সাঃ) এর আদর্শে উজ্জীবীত থাকবে। আমি মনে করি দায়িত্ববান পুরুষ সবসময়ই সুন্দর। একজন দায়িত্ববান পুরুষ; একজন ভালো বাবা হতে পারে, একজন ভালো সন্তান হতে পারে, একজন ভালো স্বামী হতে পারে। অথচ 'দায়িত্বহীনতা' একজন সুন্দর দেখতে পুরুষকেও অসুন্দর করে দেয়। এক কথায়, পুরুষ মানুষ দায়িত্বের মধ্যেই সুন্দর। যে পুরুষ যতো বেশি দায়িত্ববান, সমাজে কিংবা পরিবারে তার মর্যাদা ততো বেশি।তাই আমি এমন একজন জীবন সঙ্গী আশা করি যিনি আমার অভিভাবকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আমার বন্ধুও হবেন। আর হ্যাঁ বিশেষ কয়েক শ্রেণির মানুষ আমার খুবই অপছন্দ যারা- ধূমপান করে/ সুদ/হারাম খায় আর যারা মিথ্যাবাদী এবং বদমেজাজি আরো কিছু বিষয় যা এখানে উল্লেখ না করলেই নয় তা হচ্ছে যেহেতু "রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বিয়ের ক্ষেত্রে ৪ টি বিষয়ে অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন। যথাঃ ১)সৌন্দর্য ২)বংশমর্যাদা ৩)অর্থ – সম্পদ এবং ৪) দ্বীনদারিত্ব এগুলোর মধ্যে দ্বীনদারিত্ব কে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। তাই জীবনসঙ্গী নির্বাচনে দ্বীনদারিত্বকে আমি অধিক গুরুত্ব দেব ইনশাআল্লাহ। এমন ছেলে যিনি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ফরজ এবং নবীজীর সুন্নাহ্ মেনে চলবে। যিনি প্রতিটা ব্যক্তিকে সম্মান করার মানসিকতা রাখেন। যাকে দেখলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কথা স্মরণ হবে। যার কথা আমার ইলম বৃদ্ধি করবে। এমন ব্যক্তি পছন্দ যিনি প্রয়োজন ছাড়া নন-মাহরাম মেয়েদের সাথে একদমই কথা বলবেন না। হাস্যরস তো দূরের কথা।যিনি সর্বাবস্থায় টাকনুর উপর কাপড় পড়েন। এমন একজন মানুষ চাই যার চিন্তা-ভাবনা আখিরাতমুখী হবে। বিয়ে কোনো ফ্যান্টাসি নয় এটা সারাজীবনের ব্যাপার। যার ব্যাপ্তি দুনিয়া থেকে আখিরাত পর্যন্ত বিস্তৃত। আমি ইনশাআল্লাহ আমার ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর জীবনে প্রথম নারী হতে চাই। যিনি কখন ও সুযোগের অপব্যবহার করেননি। যার জীবন নামক Dictionary তে কখনো Girlfriend/ Girl Best Friend/Girl Just Friend নামক কেউ ছিল না। যিনি সবসময় হযরত ইউসুফ (আ.) এর মত নিজেকে সর্বপ্রকার হারাম থেকে বিরত রেখেছেন। ইনশাআল্লাহ যিনি আমাকে উত্তম চরিত্র Gift হিসেবে দেবেন। আর হ্যাঁ দ্বীনের বিষয়ের কঠোর হতে হবে। দ্বীনি বিষয়াদি নিয়ে তামাশা করে এমন যেন কোনোভাবেই না হয়। বিয়ে সুন্নত মেনে হবে, ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে পাত্রের নিয়ত মজবুত থাকতে হবে। সর্বপরি বিয়ের অনুষ্ঠানে আমি পর্দার সহিত থাকতে চাই। এক্ষেত্রে পাত্র এবং পাত্রের পরিবার আমাকে সাপোর্ট করলে আমার জন্য পর্দা মেইনটেইন করা সহজ হবে ইনশাআল্লাহ। বিয়ের পর পাত্র ও পাত্রের বাবা ছাড়া পাত্রের পরিবারের অন্য যেসব সদস্য আছেন যেমন: পাত্রের ভাই, চাচা, মামা, খালু, ফুফা ইত্যাদি যারা আছেন, তারা সবাই আমার গায়েরে মাহরাম। কাজেই দয়া করে তাদের সামনে মুখ খুলে যাওয়ার জন্য বা কথা বলার জন্য অনুরোধ করবেন না। যেহেতু আমি আমার পরিবারে গায়েরে মাহরাম (ফুফা, খালু, চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাই এমনকি আমি আমার বোনদের যাওজের সাথেও)পর্দা করে চলার চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ। আর যিনি আমার যাওজ হবেন তার মধ্যে অবশ্যই গায়রতবোধ থাকতে হবে। তাই আমি চাই না, বিয়ের পর এ বিষয়ে কোনো আপোষ করতে। দয়া করে আমাকে কষ্ট দিবেন না। আমি আমার পর্দাকে খুব পছন্দ করি, ভালোবাসি এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এটিকে আঁকড়ে ধরে থাকতে চাই ইনশাআল্লাহ। তাই আমি চাই এমন এক জোড়া চোখের নজর আমার উপরে পড়ুক, যে চোখ আমার জন্য অফুরন্ত সম্মান আর ভালবাসায় ভরপুর থাকবে। যার চোখে আমিই সেরা হবো। তাই পর্দার এই বিষয়গুলোতে আমাকে আপোষ করতে বলবেন না। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লাকে ভয় করুন।
যেকোন। জেলা ভিত্তিক পছন্দ নেই ।
দ্বীনদারীতা,সামাজিক অবস্থা
রংপুর
স্বপ্নধারা হাউজিং, বসিলা,মোহাম্মদপুর,ঢাকা-১২০৭
নেই দান করে দেয়া হয়েছে
ঢাকায়
Sorry !! There's no media found for the request !!
Go up